আয়রনের ঘাটতি রোধে যে খাবারগুলো খাওয়া যেতে পারে
![]() |
| আয়রনের ঘাটতি রোধে যে খাবারগুলো খাওয়া যেতে পারে। |
আয়রন হলো রক্তের লোহিতকণিকা তৈরির মূল উপাদান। রক্তে আয়রনের ঘাটতি হলে বা খাদ্যে পর্যাপ্ত আয়রন না থাকলে রক্তস্বল্পতা দেখা দিতে পারে। তাই আয়রনের ঘাটতি পূরণে খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে আয়রনসমৃদ্ধ কিছু খাবার, যেমন কলিজা, মাছ, মুরগির মাংস, সবুজ শাকসবজি (বিশেষ করে পালংশাক), কুমড়োর বীজ, ব্রকলি, শুকনা ফল যেমন কিশমিশ ও অ্যাপ্রিকট, বাদাম, ডালিম, কলা, আপেল ইত্যাদি।
See
*কলা*
কলা ভিটামিন এ, বি, ও সি-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এতে প্রচুর আঁশ, আয়রন ও অন্যান্য খনিজ উপাদান রয়েছে। পাকা ও কাঁচা দুই ধরনের কলায় পুষ্টিমানের কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।
*ডালিম*
ডালিমে রয়েছে প্রচুর খনিজ পদার্থ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি রক্তশূন্যতার জন্য উপকারী এবং এতে ফলিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড, পটাশিয়াম, ভিটামিন এ, সি, ও ই-এর মতো প্রয়োজনীয় উপাদান থাকে।
See
*খেজুর*
খেজুরে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন বি, ভিটামিন কে, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, জিঙ্কসহ নানা পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
*পালংশাক*
পালংশাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে, এ, সি, বি২ ও ফলিক অ্যাসিড রয়েছে। এটি ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেশিয়াম এবং আয়রনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম পালংশাকে ২৩ ক্যালরি, ৩ গ্রাম আমিষ, ৪ গ্রাম শর্করা ও ২ গ্রাম আঁশ রয়েছে, তবে কোনো চর্বি নেই।
See
*কচুশাক*
কচুশাকে দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার পাশাপাশি আয়রনের ঘাটতি পূরণে কার্যকর। এতে ভিটামিন এ, বি, সি, ক্যালসিয়াম, আয়রনসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকে, যা মানবদেহের নানা রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।
মুরগির মাংস উচ্চমানের প্রোটিনের অন্যতম উৎস। ১০০ গ্রাম চামড়া ছাড়া মুরগির বুকের মাংসে ২২.৩ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এতে প্রয়োজনীয় সব অ্যামিনো অ্যাসিড পাওয়া যায়।
See
*কলিজা*
কলিজা রক্তে আয়রনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। গরু, ছাগল, মুরগির কলিজা আয়রনের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ। যাঁদের অ্যালার্জি বা চুলকানির সমস্যা আছে, তাঁরা গরুর পরিবর্তে মুরগি বা খাসির কলিজা খেতে পারেন।
*আপেল*
প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার অভ্যাস অল্প বয়সে মৃত্যুর ঝুঁকি কমপক্ষে ৩৫ শতাংশ হ্রাস করতে পারে। এটি শরীরের কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক।
See




0 Comments