![]() |
প্রায় সবাই কোনো না কোনোভাবে দাঁত বা মাড়ির সমস্যায় ভোগেন। তবে একটু সচেতন থাকলে এসব রোগের বেশির ভাগই প্রতিরোধ করা সম্ভব। মুখের অনেক জায়গা নিয়মিত পরিষ্কারের সময় ঠিকমতো পরিষ্কার করা যায় না। বিশেষ করে যাঁদের দাঁত এলোমেলো, লালা কম নিঃসৃত হয়, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে, ইনহেলার ব্যবহার করেন, ক্যানসারের রোগী, অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস আছে বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম—তাঁদের মুখের স্বাস্থ্য সবসময় ঝুঁকিতে থাকে।
See
সাধারণত কোনো উপসর্গ না থাকলেও, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রতি ছয় মাস অন্তর একজন দন্তচিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ, মুখের বেশির ভাগ রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে তেমন লক্ষণ দেখা যায় না। নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপের মাধ্যমে প্রাথমিক অবস্থায় রোগ শনাক্ত করা গেলে, চিকিৎসা সহজ হয় এবং খরচও তুলনামূলকভাবে কম হয়।
See




0 Comments